শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৬

আমাদের জ্ঞানের লেভেল / মাত্রা /পরিমাণ কতটুকু ? # # আবু মহি মুসা

আমাদের জ্ঞানের 
লেভেল / মাত্রা /পরিমাণ কতটুকু  ?         
                                   আবু মহি মুসা

[  বাংলাদেশে একজন দার্শনিকের জন্ম হয়েছে। 
আজ আমরা সেই জীবন্ত দার্শনিকের কথা শুনবো। 
তিনি  আবু মহি মুসা।  
কোনো সেমিনারে বক্তব্য দেয়ার পূর্বে সন্চালক  এমন কথাই  বলে থাকেন তার সম্পর্কে ।  আবু মহি মুসা দীর্ঘ ৪০ বছর দর্শন নিয়ে গবেষণা করেছেন। দর্শনের ওপর তার লেখা বিশাল আকৃতির  চারটি বই প্রকাশিত হয়েছে।। বইগুলো হচ্ছে,  ‘জ্ঞানের গতি ও প্রকৃতি (তিনশো পৃষ্ঠা শুধু জ্ঞান নিয়ে লেখা), সৃস্টি থেকে ধ্বংস, অস্তিত্ববাদ ও নাস্তিকতা এবং জীবন ও জগৎ সম্পর্কে দার্শনিক ভাবনা। এই বইগুলোর মধ্যে ২৩০টি বিষয় রয়েছে। প্রত্যেকটি বিষয়ে তিনি তার নিজস্ব মতবাদ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তিনি  কোনো বিষয়ে প্রাচীন কালের  কোনো মনীষীদের সাথে একমত নন।  তাঁর বইগুলোর মধ্যে দর্শনের এমন কোনো বিষয় নেই যা খুঁজে পাওয়া যাবে না। দর্শনের সব চেয়ে কঠিন প্রশ্ন হচ্ছে, আকাশ অসীম না, সসীম, বিশ্ব কিভাবে সৃস্টি হয়েছে,  এ বিষয়টিগুলো তার বইর মধ্যে পাওয়া যাবে। সম্প্রতি তিনি একটি সেমিনারে  বক্তব্য দিয়েছেন, যে বক্তব্য অডিয়েন্সকে তোলপাড় করেছে,   সংক্ষিপ্ত আকারে তারই কিছু অংশ নি¤েœ আমার ফেস-বুক বন্ধুদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরলাম। বি. দ্র. যদি দর্শনের কোনো বিষয়ে কেউ প্রশ্ন  করতে চান এই দার্শনিকের কাছে, তারা এই ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্ন করতে পারেন - কবি মুহাম্মদ ইউসুফ  ) 

বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস বলেছেন, নিজেকে চেন। হাদিসে আছে, ‘নিজেকে চিনতে পারলে আল্লাহকে চেনা যাবে। নিজেকে চেনার জন্য কতটুকু জ্ঞান আমাদেও আছে?  একটা কথা আমি প্রায়ই বলে থাকি, বিমান চলে ফুয়েলে, দেশ চলে জ্ঞানে। এমন কি একশো বছরের অভিজ্ঞতা নিয়েও দেশ চালানো যাবে না যদি জ্ঞান না থাকে। অথচ আমাদের দেশের  পন্ডিতরা খুব গর্ব করে বলেন, যে জাতি মেধাবীদের মূল্যায়ণ করতে জানে না সে জাতি কোনো দিনও উন্নতি করতে পারে না। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বাংলাদেশে কোনো সেকটরে মেধাবী নেই? বহু ইন্ডাস্ট্রি সিক হয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে। রেলওয়ে, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাস, বাস, বিমান, সবই ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে।   বক্তব্যটি হবে, যে জাতি জ্ঞানীদের মূল্যায়ণ করতে জানে না সে জাতি কোনো দিনও  উন্নতি করতে পারে না।  নিজেকে জানার জন্য বা দেশ চালানোর জন্য যতটুকু  জ্ঞানের প্রয়োজন ততটুকু জ্ঞান আমাদেও আছে কিনা,  আমাদের কতটুকু জ্ঞান আছে এ বিষয়টি নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে কিছ কথা বলতে চাই। আমি যদি সরসরি বলি আমাদের জ্ঞান হাঁস, মুরগী, ছাগল ভেড়ার জ্ঞানের  চেয়েও  কম,  অনেকের কাছে বিষয়টি হাস্যকর হতে পারে। এটা শুনে অকেই স্পিংয়ের মত লাফিয়ে ওঠেন। কিন্তু বিষয়টি অপ্রিয় হলেও সত্য যে, পৃথিবীর ৯৯.৯৯ ভাগ মানুষের জ্ঞান হাঁস মুরগী পশু পাখির জ্ঞানের চেয়ে কম।   মনে করুন আমি এম.এ. পাস. কিভাবে পাস করলাম? অন্যের লেখা বই পুস্তক পড়ে পরীক্ষা দিয়ে এম.এ. পাস করলাম, এটা কিন্তু আমার জ্ঞান নয়।  এটাকে বলা হয় অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান। এখানে আমার জ্ঞান কোথায়? আমাদের জ্ঞান হাঁস মুরগী পশু পাখির জ্ঞানের যে চেয়ে কম তার দার্শনিক ব্যাখ্যা এখানে। জ্ঞানে চারটি ফ্রাগমেন্টের কথা আমরা জানি। যেমন, সাধারণ জ্ঞান, বুদ্ধি, অলৌকিক জ্ঞান এবং দার্শনিক জ্ঞান। এর সাথে জ্ঞানের আরও দুটো ফ্রাগমেন্ট যুক্ত হয়েছে, যার প্রবক্ততা আমাকে বলতে হবে। যেমন,  অভ্যন্তরীণ জ্ঞান এবং অতি সাধারণ জ্ঞান। এ দুটো জ্ঞান সহজাত। এ জ্ঞান অর্জন করতে হয়না।  অভ্যন্তরীণ জ্ঞান খাদ্যের এবং অতি সাধারণ জ্ঞান জৈবিক বিষয় দেখে থাকে।
স্যার জগদীশচন্দ্র বসু বলেছেন, গাছে প্রাণ আছে, আমি বলেছি যার প্রাণ আছে, তার জ্ঞান আছে, যার জ্ঞান আছে তার প্রাণ আছে। সে হিসেবে গাছের জ্ঞান আছে।  গাছের শুধু খাদ্যের জ্ঞান আছে  বলে গাছ খাদ্য খেয়ে বেঁচে আছে। গাছের আর কোনো জ্ঞান নেই। গাছের একটি জ্ঞান।  কেঁচোর  দুটো জ্ঞান- খাদ্য এবং জৈবিক।  হাঁস মুরগী, ছাগল ভেড়া, পশু পাখির তিনটি জ্ঞান- খাদ্য, জৈবিক, আত্মরক্ষার জ্ঞান, সন্তান লালন পালন এবং ভয়ভীতির জ্ঞান।। বুদ্ধিমান প্রাণী  শিম্পাঞ্জী, বানর. গরিণা, হণুমান, এদের  চারটি জ্ঞান। জ্বিনের পাঁচটি জ্ঞান (বস্তুবাদীরা জ্বিনের অস্তিত্বকে স্বীকার করেন না)। মানুষের ছ’টি জ্ঞান।
জ্ঞানের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্রাগমেন্ট হচ্ছে অভ্যন্তরীণ জ্ঞান। গাছের ক্ষেত্রে ভূমিকা শুধু একটি, খাদ্যের। কিন্তু বিশেষ করে মানুষের ক্ষেত্রে এ জ্ঞানের ভূমিকা দুটো। খাদ্য এবং প্রাণের অস্তিত্বে প্রকাশ ঘটানো।  মানুষ যখন মাতৃগর্ভে স্পার্ম থেকে বড় হয়ে পরিপূর্ণ মানুষ আকৃতি ধারণ করে তখনই সে মাতৃগর্ভে থেকেই হাত পা নাড়াচাড়া করতে শুরু করে। এই শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তার মুখে খাবার তুলে দিলে সে খেতে পারে। এ জ্ঞানটি কতখানি গুরুত্বপূর্ণ এ আলোচনা থেকে বোঝা যাবে। যেমন, একজন মুষ্ঠিযোদ্ধা মুষ্ঠিযুদ্ধ করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেল। এবং জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেল। এ সময় সে হাত পা নাড়া চাড়া করতে পারবে না, খেতে পারবে না, কথা বলতে পারবে না।  একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হয়েই কিন্তু খেতে পারে, হাত পা নাড়া চাড়া করতে পারবে, কাঁদতে পারে। এখানে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরী জ্ঞানটি লোপ পেলে সব জ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অভ্যন্তরীণ জ্ঞানটি ফিরে এলে সব জ্ঞান ফিরে আসবে। পচিঁশ তলা দালানের একটি অংশ থাকে মাটির নিচে, যেটা ফাউন্ডেশন বলা হয়। ফাউন্ডেশন সরিয়ে ফেললে দাঁলানটা যেমন ধসে পড়ে, ঠিক তেমন এ জ্ঞানটি লোপ পেলে সব জ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে যায়।  এ জন্য এ জ্ঞানটি বলা হয়েছে ফাউন্ডেশন অব অল ফ্রাগমেন্ট অব নলেজ। অর্থাৎ সব জ্ঞানের মূল ভিত্তি হচ্ছে অভ্যন্তরীণ জ্ঞান।
 অন্যান্য প্রাণীর মত জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে  মানুষকেও ছ’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যার একটি জ্ঞান তাকে বলা হয় নির্বোধ (শিশুটি)। যার দুটো জ্ঞান তাকে বলা হয় নিরেট মূর্খ।  তিনটি জ্ঞান যার সে মূর্খ, তবে তার কিছুটা বুদ্ধি আছে। চারটি জ্ঞান যার তাকে বলা হয় বুদ্ধিমান। পাঁচটি জ্ঞান যার তাকে বলা হয় অলি আল্লাহ, সাধু সন্নাসী (আধ্যাতিক শক্তিসম্পন্ন) , ছ’টি জ্ঞানের অধিকারী তারা মহাজ্ঞানী। যেমন, ধর্মপ্রবর্তক, দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী।

আমরা অলি আল্লাহ-সাধু সন্নাসী বা মহাজ্ঞানী নই। আমরা বুদ্ধিমান।  বুদ্বিমান মানুষের মাত্র চারটি জ্ঞান, পৃথিবীর ৯৯.৯৯ ভাগ মানুষ বুদ্ধিমান। অর্থাৎ আমাদের জ্ঞান হচ্ছে চারটি। দার্শনিক দৃষ্টিকোন থেকে বলা হয়েছে, না, আমাদের জ্ঞান হচ্ছে তিনটি। আমাদের জ্ঞান হচ্ছে তিনটি এবং  হাঁস মুরগী, ছাগ ভেড়ার জ্ঞানও তিনটি। ওরা যতটা চিন্তা করতে পারে, যেমন. খাদ্য, জৈবিক, আত্মরক্ষা, সন্তান লালন পালন এবং ভয়ভীতি, এর বেশী আমরা একটুও চিন্তা করতে পারি না। পার্থক্যটা এখানে, আমাদের মধ্যে মহাজ্ঞানী মনীষীদের আগমন ঘটেছে, আমরা তাঁদের জ্ঞানটা ধারণ করতে পারি। এই মহাজ্ঞানী মনীষীরা যদি আমাদের মধ্যে কোনো কালেই না আসতেন, তাহলে আমরা আাজও বন্য প্রাণী মত বনে জঙ্গলে উলঙ্গ হয়ে ঘুরে বেড়াম। আফ্রিকার জঙ্গলে যে জনগোষ্ঠী বাস করে তাদের মধ্যে কোনো মহাজ্ঞানী মনীষীর জন্ম হয়নি, তারা আজও উলঙ্গ হয়ে বনে বাস করছে।  আমরা যে হাঁস মুরগীর চেয়ে বেশী চিন্তা করতে পারি না, তার প্রমানটা এখানে। আমাদের গৃহিনীরা ভালো রান্না করতে পারেন। একটি শিশু কন্যাকে ২৫ বছর কোনো বন্দীশালায় বন্দী করে রাখুন। তাকে শাড়ী পরতে দেয়া হবে না, তার সাথে কথা বলা যাবে না। পঁচিশ বছর পর তাকে বের করে নিয়ে আসুন। শাড়ী পরতে পারবে? কথা বলতে পারবে? আগুন ধরাতে পারবে? কিছুই পারবে না এই ২৫ বছরের মেয়েটি। অথচ পঁচিশ সেকেন্ডে একটি সাপ ডিমের খোলস থেকে বের হয়্ েদৌড়াতে পারে, খেতে পারে। একটি মুরগীর বাচ্চা ডিমের খোলস থেকে বের হয়ে দাঁড়াতে পারে, হাঁটতে পারে, খেতে পারে, কথা বলতে পারে। এবার প্রশ্ন, কে শ্রেষ্ট, ওরা না আমরা? অনেকে ঠিক এভাবে বলেন, সে হিসেবে তো ওরাই শ্রেষ্ঠ।
 আমাদের জ্ঞান তিনটি। দার্শনিক দৃষ্টিকোণ থেকে আবার বলা হয়েছে, না, আমাদের জ্ঞান হচ্ছে দুটো। এই দুটো জ্ঞানের মধ্যে মানুষ জন্মে মাত্র একটি জ্ঞান নিয়ে । অন্যদিকে যে প্রাণীর মধ্যে তিনটি জ্ঞান, মাতৃ গর্ভ থেকে সে তিনটি জ্ঞান নিয়েই জন্মে। এবার বলুন কে শ্রেষ্ঠ? এবারও বলবেন, ওরাই তো শ্রেষ্ঠ। তবে কেন বলা হয়, মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব? মানুষ সৃস্টির শ্রেষ্ঠ জীব, পবিত্র কোরানের কোনো আয়াতে এমন কথা পাওয়া যায়নি। আমি কম পক্ষে ২০জন আলেমকে জিজ্ঞেস করেছি। কেউ বলতে পারেননি। বলেছেন, মানুষকে  একটি সুন্দর অবয়বে তৈরী করা হয়েছে।তাহলে কেন বলা হয় মানুষ সৃস্টিও  শ্রেষ্ঠ জীব?
এর  রহস্য এখানে। গত বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা হয়েছে। ৩২টি দল তাতে অংশ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে শ্রেষ্ঠ দল হচ্ছে জার্মানী। এই শ্রেষ্ঠ দলটিতে একজন শ্রেষ্ঠ প্লেয়ার ছিল। এর সাথে আরও ৫জন সেমি বেষ্ট প্লেয়ার ছিল। এই ৬ জন প্লেয়ারকে যদি মাঠের বাইরে রেখে দলটি খেলতো তাহলে জার্মানীর এ দলটি কাপ জিততে পারতো?  শ্রেষ্ঠ দল বলা যেত না। ঠিক তেমনি মানুষের মধ্যে ৬  শ্রেণীর মানুষ, যেমন, ধর্মপ্রবর্তক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, লৌহমানব (হযরত ওমরের চরিত্রের মানুষ), ওলি আল্লা-সাধু-সন্নাসী এবং গ্রামে স্বশিক্ষিত লেখা পড়া জানে না, কিন্তু বিচার শালিসী করেন। এই ছ’শ্রেণীর মানুষ এবং এর সাথে আর এক শ্রেণীর মানুষ আছে, যারা কোনো জ্ঞান প্রেডিউস করতে পারেন না, কিন্তু কঠিন বিষয়গুলো সহজেই বুঝতে পারেন, এদের বাদ দিয়ে,  ৯৯.৯৯ ভাগ মানুষ সম্পর্কে পবিত্র কোরানের সুরা তিন্ এর একটি আয়াতে বলা হয়েছে, ‘ সুম্মা রাদাদনা হু আস্ফালাস সাফিলিন।’ সুরা আরাফের একটি আয়াতে বলা হয়েছে, ‘বাল হুম কা আদাল।’   মানুষ সব চেয়ে নিকৃষ্ট প্রাণীর চেয়েও নিকৃষ্ট। যার প্রমান দিয়েছি বিশ্বজিতের ক্ষেত্রে, প্রমান দিয়েছি হরতাল চলাকালে বাসে প্যাট্রোল বোমা মেরে যাত্রীদের হত্যা করে। প্রমান দিয়েছি নারয়নগঞ্জে র‌্যাব কর্তৃক দশজন মানুষকে হত্যা করে। এরপরও কি বলা যাবে মানুষ সৃস্টির শ্রেষ্ঠ জীব?
এর সাথে দ্বিমত করার কি কোনো অবকাশ আছে? বর্তমান সময়ে সমগ্র বিশ্বের দেশগুলোর  শাসকরা কিন্তু  হাঁস মুরগী ছাগল ভেড়ার জ্ঞান নিয়ে দেশ চালাচ্ছেন। তাদের যে জ্ঞান  নেই, তার প্রমাণ দিয়েছে সুসভ্য একটি দেশ ব্রিটেন। ব্রিটেন সমকামীদের মধ্যে বিবাহকে অনুমোদন দিয়েছে সরকারীভাবে। আমাদের দেশেও ভুরি ভুরি প্রমাণ রয়েছে। শুধু একটি উদাহরণ দিলেই বোঝা যাবে আমাদের জ্ঞান কোন পর্যায়ে। আমাদের একটি গরীব দেশ। এদের দেশের  রাজকীয় একটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পার্লামেন্ট, যেখানে পার মিনিট খরচ হয় ৩০ হাজার টাকা। এই ৩০ হাজার টাকা খরচ করে আমরা আইন প্রনয়ণ করবো। তা না করে, কার কবরে লাশ নেই, ঠ্যাং নেই, চুল নেই, এরকম কিছু বক্তব্য নিয়ে দুটো দল তর্ক বিতর্ক করে ১২টি ঘন্টা নষ্ট করলেন, যার কস্ট আসলো ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। সেখানে কি একজন  জ্ঞানীও ছিল? যদি থাকতেন, তাহলে দাঁড়িয়ে বলতে, ‘ মাননীয় স্পিকার ড্রপ দিস চ্যাপ্টার, এটা বন্ধ করুন,  নতুবা আমি ওয়াক আউট করবো। করেছেন কি? বুঝতে পারছেন, দেশটা কোথায় যাচ্ছে?  শুধু দেশই নয় সমগ্র পৃথিবীর এখন ক্রান্তিকাল। সামনে এমন কিছু ঘটবে যা মানুষ কখনো কল্পনা করেনি।



       Determined how much knowledge we owned
                                                         Abu Mohi Musa

(The famous writer  Abu Mohi Musa, before delivering his speeches in the seminar, the announcer used to speak of him in introductory speech that, `a philosopher is sprung up  in Bangladesh. Now we will listen to the speeches of a living philosopher. He is nobody but  Mr. Abu Moh Musa.’ Abu Mohi Musa made research for 40 years and wrote four books on philosophy namely (English version) : Existentialism and Aeithism, Nature and Motion of the Knowledge, From Creation to Destruction and Thoughts About Life and World From the Philosophical Standpoint, which contained 230 topics. He claimed, he is not consentient with any tenets given by the ancient philosophers. He has given his own views on every topics.  Very recently he delivered speeches in a seminar. Consciously it is revealed here for my face-book friends to enjoy it. If anybody wants to be interested to ask any question to this philosopher, may ask through this facebook. -  Poet Muhammad Yusuf)                               

The world famous philosopher Socrates told, `know thyself’. According to Hadith, `one who can know  himself, he can know the Creator. How much knowledge is need to know ourselves?  How much knowledge is need to rule the state? If I say straight way, it may be ridiculous to some one. But it is true from the philosophical stand point that the  knowledge of the 99.99 per cent people is less than the knowledge of swam, hen, birds and beasts. Suppose, I  am an M.A. How could I pass? I read the academic books written by another persons and appeared in  examination and passed the M.A. Does it mean I am “gayanee’ (fundamental knowledgeable)?   This is not my knowledge. I acquired it from the books written by others. It is called knowledge acquired by experience that is bookish knowledge. Here where is my knowledge?  We belong to the knowledge which is less than birds and beasts. Here is its explanation. We are acquainted with only four fragments of knowledge as general knowledge, intelligence, spiritual knowledge and philosophical knowledge. Two new fragments of knowledge invented by me is latched on to  four others. It is called inner knowledge and very common knowledge.  These two fragments are intrinsic or inborn knowledge.
Sir Jagadishchandra Bashu  invented the tree has life. From the philosophical out look it is told that those who has life it has knowledge or those who has knowledge it has life. So  the tree has  knowledge and it is called inner knowledge.  The inner knowledge is  such  a knowledge which has no external cause.  The inner knowledge cares the foods and very common knowledge cares the sexual matters. The earth worm has two fragments of knowledge.  The birds and beasts belong to three fragments of knowledge. The intelligent creature like chimpanzee, monkey has four fragments of knowledge. The Jean (invisible creature ) has five fragments of knowledge and the human being has six fragments of knowledge.
Among six fragments of knowledge, the  inner knowledge is most important. In the fields of plant the inner knowledge has only one  role i.e. cares for food. But in the fields  of other creatures have double role. One is, cares for food and another is, expressing its existence. When the man is started growing up from sparm and formed full shape of human body in the womb of mother then the inner knowledge comes in him. He can stir his hands and legs. After being born this baby can eat. How much this inner knowledge is important, we can determine it in this way. A boxer receives a blow on his head and he then and there  losing his sense  falls down on the ground. In this state he can not eat, he can not stir his hands and legs. But a baby soon after being born he can stir his hands and legs  and eat. It is told here that when the inner knowledge becomes extinct, then and there other fragments of knowledge disappear. And again when the inner knowledge comes into existence, the other fragements of knowledge appear. As, the 25 stored building has a foundation which is laying underneath of earth and not visible. If the foundation is removed the building will be dilapidated. Like that when the inner knowledge gets extinction then other fragements of knowledge disappear. That is why, the inner knowledge is called foundation of all fragments of knowledge.  
     
However, within this centaury all the six classes of scholar like prophet, philosopher, scientist, Iron man, charismatic leader (Wali-Allah) and autodidact  who has the judging capacity to judge the problems of villagers will disappear for every. And remaining  99.99 per c ent  people will remain with knowledge which is less then birds and beast.     





























      



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন